অ্যালুমিনিয়াম বা তামার তারের কোর, পিভিসি তৈলসিক্ত কাগজের ইনসুলেশন জলনিরােধক ধাতব আবরণ, ধাতব আর্মার প্রভৃতি উপাদান দিয়ে ক্যাবল তৈরি করা হয়।
ক্যাবলকে স্থাপন ও গঠন অনুযায়ী দুইভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-
(ক) এরিয়াল ক্যাবল
(খ) আন্ডার গ্রাউন্ড ক্যাবল
ক্যাবলকে স্থাপন ও গঠন অনুযায়ী দুইভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-
(ক) এরিয়াল ক্যাবল
(খ) আন্ডার গ্রাউন্ড ক্যাবল
(ক) এরিয়াল ক্যাবল : এরিয়াল ক্যাবল সাধারণত ওভার হেড লাইনের খােলা জায়গায় ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আবার ডিষ্ট্রিবিউশন সার্ভিস লাইনেও ব্যবহার করা হয় ।
এই এরিয়াল ক্যাবলকে আবার তিনভাগে করা যায়। যথা:
১। ভি. আই. আর (V.I.R) ক্যাবল
২। পি. ভি. সি (P. V. C) ক্যাবল
৩। ভার্নিস কেমব্রীক (V.C) ক্যাবল
ভি, আই, আর এবং পি. ভি. সি ক্যাবল বাইরের কাজে ব্যবহার করা হয়। ক্যাবল দুটি যান্ত্রিকভাবে শক্তিশালী ও ওয়েদার প্রুফ। ভার্নিস কেমব্রীক ক্যাবলকে কেমব্রীক ক্যাবলও বলা হয়। এটা সাধারণত বাহিরের ও ভিতরের ডিষ্ট্রিবিউশন সার্ভিসের কাজে ব্যবহার হয়ে থাকে।
(খ) আন্ডার গ্রাউন্ড ক্যাবল: ইলেকট্রিক্যাল শক্তি বহন করার জন্য মাটির নিচ দিয়ে যে ক্যাবল টানা হয় তাকে আন্ডার গ্রাউন্ড ক্যাবল বলে। এই ক্যাবল পাওয়ার সরবরাহ ও ডিষ্ট্রিবিউশনের কাজে ব্যবহার হয়ে থাকে। প্রধানত ঘন বসতির উপর নির্ভর করিয়া আন্ডার গ্রাউন্ড ক্যাবল টানা হয়।
ইনসুলেশনের উপর ভিত্তি করে আন্ডার গ্রাউন্ড ক্যাবলকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১। পেপার ইনসুলেটেড লেড কভার ক্যাবল (P. I. L. C),
২। প্লাষ্টিক ইনসুলেটেড ক্যাবল (P. V. C)
পেপার ইস্যুলেটেড ক্যাবলকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
(১) সলিড টাইপ ও
(২) প্রেসার টাইপ।
সলিড টাইপ ক্যাবল:যে ক্যাবলের ইনসুলেশনের মধ্যে সৃষ্ট শূন্যতা রােধ করবার এবং ইনসুলেশনের বৈদ্যুতিক চাপ সহন ক্ষমতা বাড়ানাের ব্যবস্থা থাকে না সেই সব ক্যাবলকে সলিড টাইপ ক্যাবল বলে।
সলিড টাইপ ক্যাবলকে আবার চার ভাগে ভাগ করা যায়।যথা-
(১) বেন্টড
(২) এইচ টাইপ
(৩) এস, এল (US.L) টাইপ
(৪) এইচ, এস, এল (H, S. L) টাইপ
সলিড টাইপ ক্যাবল ৬৬ কে.ভি. পর্যন্ত ভােন্টেজে ব্যবহার হয়ে থাকে।
প্রেসার টাইপ ক্যাবল:যে সমস্ত ক্যাবলের উপর চাপ প্রয়ােগ করে ইনসুলেশনের মধ্যে সৃষ্ট শূন্যতা রােধ করা হয় তাহাকে প্রেসার টাইপ ক্যাবল বলে।
প্রেসার টাইপ ক্যাবলকে আবার তিন ভাগে ভাগ করা যায়, যথা
(১) তৈল ভর্তি ক্যাবল
(২) অন্তঃস্থ গ্যাসের চাপের ক্যাবল
(৩) বহিঃস্থ গ্যাসের চাপের ক্যাবল।
এই এরিয়াল ক্যাবলকে আবার তিনভাগে করা যায়। যথা:
১। ভি. আই. আর (V.I.R) ক্যাবল
২। পি. ভি. সি (P. V. C) ক্যাবল
৩। ভার্নিস কেমব্রীক (V.C) ক্যাবল
ভি, আই, আর এবং পি. ভি. সি ক্যাবল বাইরের কাজে ব্যবহার করা হয়। ক্যাবল দুটি যান্ত্রিকভাবে শক্তিশালী ও ওয়েদার প্রুফ। ভার্নিস কেমব্রীক ক্যাবলকে কেমব্রীক ক্যাবলও বলা হয়। এটা সাধারণত বাহিরের ও ভিতরের ডিষ্ট্রিবিউশন সার্ভিসের কাজে ব্যবহার হয়ে থাকে।
(খ) আন্ডার গ্রাউন্ড ক্যাবল: ইলেকট্রিক্যাল শক্তি বহন করার জন্য মাটির নিচ দিয়ে যে ক্যাবল টানা হয় তাকে আন্ডার গ্রাউন্ড ক্যাবল বলে। এই ক্যাবল পাওয়ার সরবরাহ ও ডিষ্ট্রিবিউশনের কাজে ব্যবহার হয়ে থাকে। প্রধানত ঘন বসতির উপর নির্ভর করিয়া আন্ডার গ্রাউন্ড ক্যাবল টানা হয়।
ইনসুলেশনের উপর ভিত্তি করে আন্ডার গ্রাউন্ড ক্যাবলকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১। পেপার ইনসুলেটেড লেড কভার ক্যাবল (P. I. L. C),
২। প্লাষ্টিক ইনসুলেটেড ক্যাবল (P. V. C)
পেপার ইস্যুলেটেড ক্যাবলকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
(১) সলিড টাইপ ও
(২) প্রেসার টাইপ।
সলিড টাইপ ক্যাবল:যে ক্যাবলের ইনসুলেশনের মধ্যে সৃষ্ট শূন্যতা রােধ করবার এবং ইনসুলেশনের বৈদ্যুতিক চাপ সহন ক্ষমতা বাড়ানাের ব্যবস্থা থাকে না সেই সব ক্যাবলকে সলিড টাইপ ক্যাবল বলে।
সলিড টাইপ ক্যাবলকে আবার চার ভাগে ভাগ করা যায়।যথা-
(১) বেন্টড
(২) এইচ টাইপ
(৩) এস, এল (US.L) টাইপ
(৪) এইচ, এস, এল (H, S. L) টাইপ
সলিড টাইপ ক্যাবল ৬৬ কে.ভি. পর্যন্ত ভােন্টেজে ব্যবহার হয়ে থাকে।
প্রেসার টাইপ ক্যাবল:যে সমস্ত ক্যাবলের উপর চাপ প্রয়ােগ করে ইনসুলেশনের মধ্যে সৃষ্ট শূন্যতা রােধ করা হয় তাহাকে প্রেসার টাইপ ক্যাবল বলে।
প্রেসার টাইপ ক্যাবলকে আবার তিন ভাগে ভাগ করা যায়, যথা
(১) তৈল ভর্তি ক্যাবল
(২) অন্তঃস্থ গ্যাসের চাপের ক্যাবল
(৩) বহিঃস্থ গ্যাসের চাপের ক্যাবল।

Post a Comment