কম্পিউটার হচ্ছে একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র, যার মাধ্যমে খুব সহজে এবং অল্প সময়ে প্রচুর তথ্য সম্বলিত বড় গাণিতিক (Mathematical) হিসাবসহ বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সমাধান করা যায়। এতে রয়েছে মেমােরি, নিয়ন্ত্রণ অংশ, গাণিতিক ও যুক্তি গ্রহণ অংশ ও নির্গমন অংশ। এটি সমস্ত ধরনের ডাটাকে নম্বরে রূপান্তরিত করে সমাধান শেষে আবার ডাটায় রূপান্তরিত করে প্রকাশ করে। এটি কোনাে টেক্সট, সাউন্ড বা ছবিকে নম্বরে রূপান্তরিত করা ছাড়া শনাক্ত করতে পারে না। এটি ডাটা গ্রহণ করে, পরে বিশ্লেষণ করে এবং ফলাফল প্রকাশ করে। এটি অতি দ্রুত এবং নির্ভুল ফলাফল প্রকাশ করে।
অথবা ,
কম্পিউটার হচ্ছে স্বয়ংক্রিয় ইলেকট্রনিক ডিজিটাল ডাটা প্রসেসিং মেশিন, যা ইনপুটে প্রদত্ত Program ও ডাটা গ্রহণ করে এবং memory তে সংরক্ষিত instruction অনুযায়ী data প্রসেস করে প্রক্রিয়াজাত data কে আউটপুট ডিভাইসে প্রদান করে এবং প্রয়ােজনে data কে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে।
কম্পিউটারের প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:কম্পিউটারে নির্ভুল ফলাফল, দ্রুতগতি, ডাটা সংরক্ষণ, স্বয়ংক্রিয় কর্মক্ষমতা, সহনশীলতা, স্মৃতি বা মেমােরি ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান।
০১।কম্পিউটার দ্রুত গতিসম্পন্ন (High Speed): কম্পিউটারের জন্য প্রতি সেকেন্ডে ১ মিলিয়ন ডাটা ক্যালকুলেশন করা কোনাে ব্যাপার না। Weather রিপাের্টের ক্ষেত্রে মিলিয়ন মিলিয়ন ডাটা প্রােসেস করার দরকার হয়। গ্যাস, ইলেকট্রিক কোম্পানির বিল ইত্যাদি ক্ষেত্রে বড় ক্যালকুলেশনের জন্য অতি দ্রুতগতিতে কম্পিউটার কাজ করে থাকে। এটি বৈদ্যুতিক সিগনালের মাধ্যমে কাজ করে যার গতি আলাের গতির চেয়ে সামান্য কম ।
০২।নির্ভুল ফল প্রকাশ (Accuracy): মানুষ ভুল করে কিন্তু কম্পিউটার কখনও ভুল করে না। কিন্তু কম্পিউটারে প্রদান করা তথ্য যদি ভুল থাকে তখন কম্পিউটার ভুল ফলাফল প্রকাশ করে। কম্পিউটারকে যা করতে বলা হবে এটি তাই করে দেখাবে। আমরা নিউজ পেপারে কম্পিউটারের ভুল সম্বন্ধে অনেক তথ্য পেয়ে থাকি। মনে রাখতে হবে এটি কম্পিউটারের ভুল নয়, যে ব্যক্তি কম্পিউটারে প্রােগ্রাম তৈরি করেছে অথবা তথ্য প্রদান করেছে সেখানে ভুল ছিল । কম্পিউটারের ভুলের এই প্রক্রিয়াকে বলে Garbage In Garbage Out (GIGO).
০২।নির্ভুল ফল প্রকাশ (Accuracy): মানুষ ভুল করে কিন্তু কম্পিউটার কখনও ভুল করে না। কিন্তু কম্পিউটারে প্রদান করা তথ্য যদি ভুল থাকে তখন কম্পিউটার ভুল ফলাফল প্রকাশ করে। কম্পিউটারকে যা করতে বলা হবে এটি তাই করে দেখাবে। আমরা নিউজ পেপারে কম্পিউটারের ভুল সম্বন্ধে অনেক তথ্য পেয়ে থাকি। মনে রাখতে হবে এটি কম্পিউটারের ভুল নয়, যে ব্যক্তি কম্পিউটারে প্রােগ্রাম তৈরি করেছে অথবা তথ্য প্রদান করেছে সেখানে ভুল ছিল । কম্পিউটারের ভুলের এই প্রক্রিয়াকে বলে Garbage In Garbage Out (GIGO).
০৩।ছােট স্থানে অনেক বড় ডাটা সংরক্ষণ (Storage): সাধারণত অফিস আদালতে কাগজে লেখা ফাইলের প্রচলন রয়েছে। ধরা যাক, ১ কোটি ফাইলের মধ্যে থেকে একটি ফাইল খুঁজে বের করতে হবে। ব্যাপারটি জটিল এবং সময়সাপেক্ষ। যদি ফাইলগুলি কম্পিউটারে রাখা হয় তবে সামান্য জায়গাতে রাখা যাবে এবং যে কোনাে একটি ফাইলকে মুহূর্তের মধ্যে খুঁজে বের করা যাবে। ৪" x ৬" মাপের একটি হার্ডডিস্কের মধ্যে করে করে রাখা যাবে প্রায় এক লাখ বই এর সফট কপি । শুধু টেক্সট বই নয় বিভিন্ন ধরনের ইমেজ, অডিও, ভিডিও ইত্যাদি সবই কম্পিউটারে রাখা যাবে। একটি ২০০ GB হার্ডডিস্কের মধ্যে ২০০x ১০২৪x১০২৪x১০২৪টি অক্ষর বা সেই পরিমাণ ডাটা সংরক্ষণ করে রাখা সম্ভব।
০৪।দিনে ২৪ ঘণ্টা কাজ করা সম্ভব (Dilligencey): কম্পিউটার ক্লান্ত হয় না। কম্পিউটারের কোনাে লাঞ্চ ব্রেক বা চা ব্রেক দরকার পরে না। সারাদিন ২৪ ঘণ্টা এমনকি বছরে ৩৬৫ দিনই কম্পিউটার কাজ করতে পারে। কোনাে মানুষের পক্ষে এভাবে কাজ করা সম্ভব নয়।
০৫।অসম্ভবকে সম্ভব করা (Incredibility): এয়ারলাইন-রেললাইন বুকিং, ক্রেডিট কার্ড বা স্মার্ট কার্ড ব্যবহার, আবহওয়া বার্তা, মহাকাশ গবেষণা, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি বিভিন্ন ক্ষেত্রে কম্পিউটার ব্যবহার ছাড়া সুষ্ঠুভাবে কাজ সম্পাদন করা সম্ভব নয়।
০৬।স্বয়ংক্রিয়তা (Automation) :সঠিক প্রােগ্রাম এবং ডিভাইস থাকলে প্রদত্ত নির্দেশমতাে কম্পিউটার স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডাটা প্রসেস করতে পারে।
০৭।বহুমুখিতা (Versatility) :মাল্টিটাস্কিং সিস্টেমের মাধ্যমে কম্পিউটার একই সাথে অনেকগুলি কাজ করতে পারে এবং একই সাথে বহু ব্যবহারকারী ভিন্ন ভিন্ন কাজ করতে পারে।
০৮।যুক্তিসঙ্গত সিদ্ধান্ত (Logical Decision): যদিও কম্পিউটারের চিন্তাশক্তি বা মস্তিস্ক নেই তবুও উপযুক্ত প্রােগ্রামের মাধ্যমে এটি যুক্তিসঙ্গত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
কম্পিউটারের ব্যবহার: ঘর থেকে শুরু করে অফিস-আদালত এমন কোনাে জায়গা খুঁজে পাওয়া যাবে না যেখানে কম্পিউটার ব্যবহার হয় না। অফিসের কাজে, ব্যবসা-বাণিজ্যে, স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়, বিভিন্ন ধরনের প্রজেক্ট, শিল্পকারখানা, খেলাধুলা, চিত্তবিনােদন, দোকানপাট, ব্যাংক-ইস্যুরেন্স কোম্পানি, আবহাওয়া অফিস, মহাশূন্য স্টেশন-ইত্যাদি সকল ক্ষেত্রে আজকাল কম্পিউটার ব্যবহার করা হয় ।
০১।আবাসস্থলে (At Home): হােমওয়ার্কের কাজে কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়। গৃহিণী তার ফ্যামিলি বাজেট কম্পিউটারের মাধ্যমে করতে পারে । এছাড়া ভিডিও গেম খেলা, গান-শােনা, ভিডিও দেখা, টিভি দেখা ইত্যাদি কম্পিউটারের মাধ্যমে করা যায় ।
০২।ব্যাংকে (In Banks) :ব্যাংকে গ্রাহকদের অ্যাকাউন্সের হিসাব রাখা হয় কম্পিউটারের মাধ্যমে। অনলাইন ব্যাংকিং-এর মাধ্যমে গ্রাহক যে কোনাে সময়, যে কোনাে স্থান থেকে লেনদেন করতে পারেন। এছাড়া কর্মচারীদের বেতন, বিভিন্ন প্রকার ভাতা, ওভার টাইম, আয়কর, প্রভিডেন্ট ফান্ড ইত্যাদির হিসাব-নিকাশ রাখা হয়।
০৩।ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে (In Departmental store): বড় বড় ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের ক্রয়-বিক্রয়, স্টক, ইনভেনটারিসহ কর্মচারীদের যাবতীয় হিসাব-নিকাশ রাখা হয় কম্পিউটারের মাধ্যমে।
০৮।যুক্তিসঙ্গত সিদ্ধান্ত (Logical Decision): যদিও কম্পিউটারের চিন্তাশক্তি বা মস্তিস্ক নেই তবুও উপযুক্ত প্রােগ্রামের মাধ্যমে এটি যুক্তিসঙ্গত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
কম্পিউটারের ব্যবহার: ঘর থেকে শুরু করে অফিস-আদালত এমন কোনাে জায়গা খুঁজে পাওয়া যাবে না যেখানে কম্পিউটার ব্যবহার হয় না। অফিসের কাজে, ব্যবসা-বাণিজ্যে, স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়, বিভিন্ন ধরনের প্রজেক্ট, শিল্পকারখানা, খেলাধুলা, চিত্তবিনােদন, দোকানপাট, ব্যাংক-ইস্যুরেন্স কোম্পানি, আবহাওয়া অফিস, মহাশূন্য স্টেশন-ইত্যাদি সকল ক্ষেত্রে আজকাল কম্পিউটার ব্যবহার করা হয় ।
০১।আবাসস্থলে (At Home): হােমওয়ার্কের কাজে কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়। গৃহিণী তার ফ্যামিলি বাজেট কম্পিউটারের মাধ্যমে করতে পারে । এছাড়া ভিডিও গেম খেলা, গান-শােনা, ভিডিও দেখা, টিভি দেখা ইত্যাদি কম্পিউটারের মাধ্যমে করা যায় ।
০২।ব্যাংকে (In Banks) :ব্যাংকে গ্রাহকদের অ্যাকাউন্সের হিসাব রাখা হয় কম্পিউটারের মাধ্যমে। অনলাইন ব্যাংকিং-এর মাধ্যমে গ্রাহক যে কোনাে সময়, যে কোনাে স্থান থেকে লেনদেন করতে পারেন। এছাড়া কর্মচারীদের বেতন, বিভিন্ন প্রকার ভাতা, ওভার টাইম, আয়কর, প্রভিডেন্ট ফান্ড ইত্যাদির হিসাব-নিকাশ রাখা হয়।
০৩।ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে (In Departmental store): বড় বড় ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের ক্রয়-বিক্রয়, স্টক, ইনভেনটারিসহ কর্মচারীদের যাবতীয় হিসাব-নিকাশ রাখা হয় কম্পিউটারের মাধ্যমে।
০৪।রেলওয়ে ও বিমান বন্দরে (In Railway and Airlines Reservations): রেলওয়ে ও বিমান বন্দরে রিজার্ভেশনের যাবতীয় কাজ করা হয় কম্পিউটারের মাধ্যমে। কম্পিউটারের কয়েকটি বাটন প্রেস করে দ্রুত সময়ে কাজটি করা যায়। ম্যানুয়াল রিজারভেশন সিস্টেমে এক টিকিট অনেকের কাছে ভুল করে বিক্রি করা হয় কিন্তু কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবহারে এ সমস্যা থাকে না।
০৫।যােগাযােগ ক্ষেত্রে (In Communication): এক স্থান থেকে অন্য স্থানে তথ্য আদান-প্রদান করা হয় কম্পিউটারের মাধ্যমে। টেলিফোনের মাধ্যমে শুধুমাত্র কণ্ঠস্বর আদান-প্রদান করা যায়। কিন্তু কম্পিউটারের মাধ্যমে ভয়েস, পিকচার, মুভি, ডকুমেন্ট ইত্যাদি সবকিছুই পাঠানাে সম্ভব।
০৬।মুদ্রণ ও প্রকাশনায় (Printing and Publishing): কম্পিউটারের সাহায্যে বই, ম্যাগাজিন, নিউজপেপার, সাইন বাের্ড, বিল বাের্ড ইত্যাদি প্রিন্ট করা হয়। যখন কোনাে লেখক পাণ্ডুলিপি দিয়ে থাকেন তখন প্রথমেই কম্পিউটারে কম্পােজ করা হয় পরে বিভিন্ন ধরনের স্টাইল, পিকচার ইত্যাদি সংযােজন করে কাগজে প্রিন্ট করা হয়। বিভিন্ন ধরনের পােস্টার, কভার ইত্যাদি ডিজাইনও করা হয় এটির মাধ্যমে।
০৭।শিক্ষাক্ষেত্রে (In Education): অফলাইন এবং অনলাইন দুই ধরনের শিক্ষাতেই কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন ধরনের কোর্স ম্যাটেরিয়ালস সংরক্ষণ করা হয় কম্পিউটারে । পরে প্রােজেক্টরের মাধ্যমে ক্লাস রুমে ক্লাস শিক্ষক উপস্থাপন করেন। কম্পিউটারের মাধ্যমে কিছু গাণিতিক ডায়াগ্রাম সহজে বােঝানাে হয়। ছাত্র-ছাত্রীরা অ্যাসাইনমেন্ট তৈরি করে থাকেন কম্পিউটারের মাধ্যমে।
০৮।হাসপাতালে(In Hospitals): হাসপাতালে যে সমস্ত সেনসেটিভ যন্ত্র ব্যবহার করা হয় সেগুলিও কম্পিউটারাইজড। এছাড়া রােগীর কেস হিস্ট্রি, ওষুধের স্টক ইত্যাদি যাবতীয় কাজ করা হয় কম্পিউটারের মাধ্যমে ।
০৯।বিনােদনে (Entertainment): চিত্তবিনােদনের ক্ষেত্রেও কম্পিউটার অনেক বড় ভূমিকা রাখে। বিভিন্ন ধরনের কম্পিউটার গেম, গান, ভিডিও, টিভি দেখা ইত্যাদি কম্পিউটারের মাধ্যমে করা সম্ভব। এছাড়া ইন্টারনেট চ্যাটিং বিষয়টিও রয়েছে।
১০।গবেষণা ও উন্নয়নে (In Research and Development): বিভিন্ন ধরনের গবেষণা কাজে কম্পিউটার ব্যবহার করা হয় ।
১১।সামরিক ক্ষেত্রে (In Defence) শক্তিশালী ডিফেন্স যন্ত্রপাতি, অস্ত্র ইত্যাদি এখন কম্পিউটারাইজড । বিভিন্ন ধরনের মিশাইল নিয়ন্ত্রণ করা হয় এটির মাধ্যমে। এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের পারমাণবিক অস্ত্র ও নিয়ন্ত্রণ করা হয় কম্পিউটারের মাধ্যমে ।
১২।ব্যবসা-বাণিজ্যে (In Business and Industry) বিজনেসম্যান তার ব্যবসার সমস্ত রেকর্ড রাখেন কম্পিউটারে। তার অ্যাকাউন্ট, কর্মচারীদের বেতন, স্টক সংক্রান্ত হিসাব রাখেন কম্পিউটারে। এছাড়া CAM (Computer Aided Manufacturing)-এর মাধ্যমে কারখানাতে বিভিন্ন প্রােডাক্ট তৈরি করা হয় ।
০৬।মুদ্রণ ও প্রকাশনায় (Printing and Publishing): কম্পিউটারের সাহায্যে বই, ম্যাগাজিন, নিউজপেপার, সাইন বাের্ড, বিল বাের্ড ইত্যাদি প্রিন্ট করা হয়। যখন কোনাে লেখক পাণ্ডুলিপি দিয়ে থাকেন তখন প্রথমেই কম্পিউটারে কম্পােজ করা হয় পরে বিভিন্ন ধরনের স্টাইল, পিকচার ইত্যাদি সংযােজন করে কাগজে প্রিন্ট করা হয়। বিভিন্ন ধরনের পােস্টার, কভার ইত্যাদি ডিজাইনও করা হয় এটির মাধ্যমে।
০৭।শিক্ষাক্ষেত্রে (In Education): অফলাইন এবং অনলাইন দুই ধরনের শিক্ষাতেই কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন ধরনের কোর্স ম্যাটেরিয়ালস সংরক্ষণ করা হয় কম্পিউটারে । পরে প্রােজেক্টরের মাধ্যমে ক্লাস রুমে ক্লাস শিক্ষক উপস্থাপন করেন। কম্পিউটারের মাধ্যমে কিছু গাণিতিক ডায়াগ্রাম সহজে বােঝানাে হয়। ছাত্র-ছাত্রীরা অ্যাসাইনমেন্ট তৈরি করে থাকেন কম্পিউটারের মাধ্যমে।
০৮।হাসপাতালে(In Hospitals): হাসপাতালে যে সমস্ত সেনসেটিভ যন্ত্র ব্যবহার করা হয় সেগুলিও কম্পিউটারাইজড। এছাড়া রােগীর কেস হিস্ট্রি, ওষুধের স্টক ইত্যাদি যাবতীয় কাজ করা হয় কম্পিউটারের মাধ্যমে ।
০৯।বিনােদনে (Entertainment): চিত্তবিনােদনের ক্ষেত্রেও কম্পিউটার অনেক বড় ভূমিকা রাখে। বিভিন্ন ধরনের কম্পিউটার গেম, গান, ভিডিও, টিভি দেখা ইত্যাদি কম্পিউটারের মাধ্যমে করা সম্ভব। এছাড়া ইন্টারনেট চ্যাটিং বিষয়টিও রয়েছে।
১০।গবেষণা ও উন্নয়নে (In Research and Development): বিভিন্ন ধরনের গবেষণা কাজে কম্পিউটার ব্যবহার করা হয় ।
১১।সামরিক ক্ষেত্রে (In Defence) শক্তিশালী ডিফেন্স যন্ত্রপাতি, অস্ত্র ইত্যাদি এখন কম্পিউটারাইজড । বিভিন্ন ধরনের মিশাইল নিয়ন্ত্রণ করা হয় এটির মাধ্যমে। এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের পারমাণবিক অস্ত্র ও নিয়ন্ত্রণ করা হয় কম্পিউটারের মাধ্যমে ।
১২।ব্যবসা-বাণিজ্যে (In Business and Industry) বিজনেসম্যান তার ব্যবসার সমস্ত রেকর্ড রাখেন কম্পিউটারে। তার অ্যাকাউন্ট, কর্মচারীদের বেতন, স্টক সংক্রান্ত হিসাব রাখেন কম্পিউটারে। এছাড়া CAM (Computer Aided Manufacturing)-এর মাধ্যমে কারখানাতে বিভিন্ন প্রােডাক্ট তৈরি করা হয় ।

إرسال تعليق